প্রাচীন বাংলা ভাষার চারটি রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখ


আচ্ছালামু আলাইকুম প্রিয় দর্শক - দৈনিক শিক্ষা ব্লগর পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে প্রাচীন বাংলা ভাষার চারটি রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখ নিয়ে আলোচনা করব।

অথবা, প্রাচীন বাংলা ভাষার চারটি বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ লেখ।

ভূমিকা: প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা বলতে বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা উভয়কেই বোঝানো হয়। কেননা বৈদিক এবং সংস্কৃত এই উভয় ভাষাতেই প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার ছাদটি রক্ষিত হয়েছে।

প্রাচীন বাংলা ভাষার চারটি রূপতাত্ত্বিক:

বৈশিষ্ট্য: প্রাচীন বাংলা ভাষায় চারটি রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:

১. প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষায় ৩টি বচন ছিল। যেমন- একবচন, দ্বিবচন, বহুবচন।

২. তিনটি লিঙ্গ ছিল। যথা- পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ ও ক্লীব লিঙ্গ। শব্দের অর্থের ওপর লিঙ্গ নির্ভর করত না, এই লিঙ্গভেদ ছিল ব্যাকরণণত। যেমন- লতা শব্দ প্রাকৃতিক বিচারে ক্লীবলিঙ্গ, কিন্তু এখানে লতা স্ত্রীলিঙ্গ।

৩. প্রাচীন ভারতীয় ভাষায় কারক ছিল আটটি। যথা- কর্তৃকারক, কর্ম কারক, করণ কারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক, অধিকারণ কারক।

৪. প্রতায় ছিল দুই ধরনের- কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্বিধত প্রত্যয়। ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যোগ হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন-যুজ ইন যোগী। আর শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যোগ হয় তাকে তদ্ধিত প্রতায় বলে।

উপসংহার: পরিশেষে বলা যায় যে, ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ভাষাকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে।


আপনার আসলেই দৈনিক শিক্ষা ব্লগর একজন মূল্যবান পাঠক। প্রাচীন বাংলা ভাষার চারটি রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখ এর আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ। এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

পরবর্তী পোস্ট পূর্ববর্তী পোস্ট
🟢 কোন মন্তব্য নেই
এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানান

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন - অন্যথায় আপনার মন্তব্য গ্রহণ করা হবে না।

comment url