সম্রাট আকবর প্রবর্তিত ধর্মনীতির পরিচয় দাও
আচ্ছালামু আলাইকুম প্রিয় দর্শক - দৈনিক শিক্ষা ব্লগর পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে সম্রাট আকবর প্রবর্তিত ধর্মনীতির পরিচয় দাও নিয়ে আলোচনা করব।
উত্তর: মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট আকবর বহুমুখী কল্যাণকর কার্যকলাপের জন্য ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ষোড়শ শতাব্দীতে বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় রেনেসাঁর যুগে তাঁর নতুন ধর্মনীতি ভারতের মধ্যযুগীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ভারতের মুসলিম স্থপতিগণের মধ্যে আকবরই একমাত্র শাসক, যিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতীয়দের আনুগত্য ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি উদার ধর্মনীতি প্রবর্তনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
সম্রাট আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত ধর্মনীতিগুলো নিচে প্রদত্ত হলো:
ক. এ ধর্মানুসারীদেরকে সম্রাটের নামে ধন, মান ও ধর্ম উৎসর্গ করতে হতো।
খ. এ ধর্মের কালিয়া ছিল, লা ইলাহা ইল্লালাহু আকবর খলিলুল্লাহ।
গ. সালামের পরিবর্তে আল্লাহ আকবর এবং উত্তরে জাল্লে জালালুহ বলতে হতো
ঘ. জন্ম দিবস পালন, নিরামিষ ভোজন এবং অগ্নিকে পবিত্র বলে মনে করতে হতো।
ঙ. এছাড়াও অনু-ারিগণকে মৃত্যুর পর ভোজ না দিয়ে জীবিতকালেই উক্ত ভোজ দিতে হতো।
চ. উপাসনার সময় খ্রিষ্টানদের ন্যায় ঘণ্টা ধ্বনি করা। ছ. কসাই, জেলে প্রভৃতি নিম্নশ্রেণির লোকদের সাথে মেলামেশা না করা।
জ. জৈন নিয়মে পশুবধ নিষিদ্ধ হিন্দু নিয়মে গো হত্যা নিষিদ্ধ।
ঝ. দীপালী, দশহরা, পূর্ণিমা, রাখী, অষ্টমী ইত্যাদি অনুষ্ঠানগুলো জাঁকজমক করা।
ঞ. দরবারে অগ্নি প্রজ্বলিত করা।
আপনার আসলেই দৈনিক শিক্ষা ব্লগর একজন মূল্যবান পাঠক। সম্রাট আকবর প্রবর্তিত ধর্মনীতির পরিচয় দাও এর আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ। এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন - অন্যথায় আপনার মন্তব্য গ্রহণ করা হবে না।
comment url